সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

হিজরী সন গোড়ার কথা

হিজরী সনের গোড়ার কথা।
::--- শামসুল আবেদীন
ইসলাম ধর্ম আগমনের পূর্বে মক্কাবাসী সময়ের হিসাব নিকাশ প্রসিদ্ধ কোন ঘটনার দিকে লক্ষ্য রেখে গণনা করতো।এ কারণে নানা ঘটনার প্রতি লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ক্যলেন্ডার প্রচলন ছিল। হস্তি বাহিনীর ঘটনার পর তার দিকে লক্ষ্য রেখে গণনা শুরু করে। এভাবেই চলতে থাকে।আবু মূসা আশআরী রা. ইরাকের গভর্নর থাকা অবস্থায় উমর ফারুক রাদিআল্লাহু আনহু এর কাছে আবেদন করেন যে নানান সময় আপনার চিঠি আসে, কিন্তু তারিখ না থাকায় আগে পরের চিঠি চেনা কঠিন হয়ে পড়ে ।
উমর ফারুক রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  সাহাবায়ে কেরামদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
সবাই একমত পোষণ করেন যে স্বতন্ত্র তারিখ প্রবর্তন হওয়ার কিন্তু কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে গণনা শুরু হবে এ নিয়ে মতানৈক্য দেখা হয়। কেউ খেয়াল পেশ করলো যে হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জম্ম তারিখ থেকে গণনা শুরু করা হউক।
কিন্তু এ মন্তব্য এ কারণে প্রত্যাখ্যান করা হলো যে খৃষ্টানরা ঈসা আলাইহি সালামের জম্ম তারিখ থেকে গণনা শুরু করেছে তাই তাদের অনুসরণ করে জম্ম থেকে শুরু করা যায় না এছাড়াও তা জম্মদিন পালন করতে উৎসাহিত করতে পারে এজন্য এ প্রস্তাব বাতিল করা হয়।
কেউ খেয়াল পেশ করলেন যে নবী সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু তারিখ থেকে গণনা শুরু করা হউক।এ প্রস্তাব ও এ কারণে প্রত্যাখ্যান করা হয় যে এতে আবার জাহিলিয়্যাতের  যুগের কুপ্রস্তাব শোক দিবস পালন করতে উৎসাহিত করতে পারে।
কেউ কেউ খেয়াল পেশ করলো যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ওহি আসার সময় থেকে গণনা শুরু করা হউক। কিন্তু তাও কারণঃবশত প্রত্যাখ্যান করা হলো।
উমর ফারুক রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন হিজরত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।তাই হিজরত থেকেই আরবী তারিখ গণনা শুরু করা হউক।সবাই এ কথার উপর ঐক্যমত পোষণ করলেন।তাই আরবী সন হিজরী সন হিসাবে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম রবিউল আউয়াল মাসে হিজরত করলে ও আরবী সনের প্রথম মাস রবিউল আউয়াল না হয়ে মুহাররম হল কারণ মুহাররাম মাসে প্রথম দলটি মদিনার দিকে হিজরত করেছিলেন ।

শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বনী ইসরাইলের তিন ব্যক্তির ঘটনা ।

বোখারী শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত
রসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন, বনী ইসরায়ীল
গোত্রে তিনজন লোক ছিল বিভিন্ন রোগে
আক্রান্ত। তন্মধ্যে একজন ছিল কুষ্ঠ
রোগাক্রান্ত, দ্বিতীয় জন মাথায় টাক
পড়া, তৃতীয় জন অন্ধ। আল্লাহ্ তা‘য়ালা এই
তিনজনকে পরীক্ষা করতে ইচ্ছা করলেন।
তিনি একজন ফেরেশতা পাঠালেন।
ফেরেশতা প্রথমে কুষ্ঠ রোগগ্রস্ত
লোকটির নিকট গিয়া বললেন, তুমি কী
চাও? লোকটি উত্তর করল: আমি আল্লাহ্র
কাছে এই চাই যে, আমার এই কুৎসিত
ব্যাধি নিরাময় হউক, আমার দেহের চর্ম
নূতন রূপ ধারণ করে সুন্দর হউক-যেন আমি
লোক সমাজে যেতে পারি, লোকে
আমাকে ঘৃণা না করে। আমি যেন এই
বালা হতে মুক্তি পাই। ফেরেশতা তার
শরীরে হাত বুলায়া দো‘আ করিলেন।
মুহূর্তের মধ্যে তার রোগ নিরাময় হয়ে
গেল। সর্বশরীর নূতন রূপ ধারণ করল। তারপর
আল্লাহর ফেরেশতা তাকে জিজ্ঞাসা
করলেন, তুমি কী পেতে চাও? লোকটি
বলিল, আমি উট পেলে সন্তুষ্ট হই।
ফেরেশতা তাকে একটি গর্ভবতী উট্নী
এনে দিলেন এবং আল্লাহর দরবারে
বরকতের জন্য দো‘আ করলেন।
অত:পর ফেরেশতা টাকপড়া লোকটির
নিকট গিয়া বললেন, তুমি কোন জিনিস
পছন্দ কর? লোকটি বলল, আমার মাথার
ব্যাধি নিরাময় হউক, যে কারণে লোক
আমাকে ঘৃণা করে। আল্লাহর ফেরেশতা
তার মাথায় হাত বুলাইয়া দিলেন। সঙ্গে
সঙ্গে মাথা ভাল হয়ে গেল। নূতন চুল
গজালো নূতন রূপ ধারণ করল। এখন
ফেরেশতা জিজ্ঞাসা করলেন, কোন
প্রকারের মাল তুমি পাইতে চাও? সে
বলিল, আল্লাহ্ যদি আমাকে একটি গরু দান
করেন, তবে আমি খুব সন্তুষ্ট হই। ফেরেশতা
একটি গর্ভবতী গাভী এনে দিলেন এবং
বরকতের জন্য দোয়া করলেন।
অনন্তর ফেরেশতা অন্ধ লোকটির নিকট
গমন করে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি
কী চাও? লোকটি বলল: আল্লাহ্ তা‘আলা
আমার চোখ দুটির দৃষ্টিশক্তি যেন
ফিরাইয়া দেন , যেন আমি আল্লাহর
দুনিয়া দেখতে পাই। ইহা আমার আরজু।
আল্লাহ্ তা‘আলার ফেরেশতা তাহার
চোখের উপর হাত বুলাইয়া দিলেন। সঙ্গে
সঙ্গে তাহার চোখ ভাল হয়ে গেল। সে
দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল। অত:পর ফেরেশতা
জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা বল তো, কোন
বস্তু তুমি পছন্দ কর? অন্ধ বলল, আল্লাহ্ যদি
আমাকে একটি বকরী দান করেন, আমি খুব
খুশী হব। ফেরেশতা তৎক্ষণাৎ একটি
গাভীন বকরী আনিয়া তাহাকে দিলেন
এবং বরকতের দোআ করে চলে গেলেন।
অল্প দিনের মধ্যেই এই তিন জনের উট, গরু
এবং বকরীতে মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে গেল।
তারা প্রত্যেকে এক একজন বিরাট ধনী।
অনতিকাল পরে সেই ফেরেশতা প্রথম
ছুরতে পুনরায় সেই উটওয়ালার (কুষ্ঠ
রোগীর) নিকট এসে বললেন, আমি
বিদেশে (ছফরে) আসিয়া বড়ই অভাবগ্রস্থ
হইয়া পড়িয়াছি। আমার বাহক জন্তুটিও
মারা গিয়েছে। আমার পথ-খরচও শেষ হয়ে
গিয়েছে। আপনি যদি মেহেরবানী করে
কিছু সাহায্য না করেন, তবে আমার
কষ্টের সীমা থাকবে না। এক আল্লাহ্
ছাড়া আমি সম্পূর্ণ নিরুপায়। যে আল্লাহ্
আপনাকে সুন্দর স্বাস্থ্য ও সুশ্রী চেহারা
দান করেছেন তার নামে আমি আপনার
নিকট একটি উট প্রার্থনা করতেছি।
আমাকে একটি উট দান করুন। আমি উহাতে
আরোহণ করে কোন প্রকারে বাড়ি যেতে
পারি। লোকটি বলল, হতভাগা কোথাকার!
এখান হতে দূর হও, আমার নিজেরই কত
প্রয়োজন রয়েছে? তোমাকে দিবার মত
কিছুই নাই। ফেরেশতা বললেন, আমি
তোমাকে চিনি বলে মনে হচ্ছে। তুমি কি
কুষ্ঠ রোগগ্রস্ত ছিলে না? লোকে কি এই
রোগের কারণে তোমাকে তুচ্ছ ও ঘৃণা করত
না? তুমি কি গরীব ও নিঃস্ব ছিলে না?
তৎপর আল্লাহ্ পাক কি তোমাকে এই ধন-
সম্পদ দান করেন নাই? লোকটি বলল, বাঃ
বাঃ! কি মজার কথা বলছো? আমরা বাপ-
দাদার কাল হতেই বড় লোক। এই সম্পত্তি
পুরুষানুক্রমে আমরা ভোগদখল করে
আসতেছি। ফেরেশতা বললেন, যদি তুমি
মিথ্যাবাদী হও, তবে আল্লাহ্ তাআলা
তোমাকে সেইরূপ করে দিন যেরূপ তুমি
পূর্বে ছিলে। কিছুকালের মধ্যে লোকটি
সর্বস্বান্ত হইয়া পূর্বাবস্থা প্রাপ্ত হল।
অনন্তর ফেরেশতা দ্বিতীয় ব্যক্তি
অর্থাৎ, টাকপড়া লোকটির নিকট গমন
করলেন। লোকটির এমন সুন্দর ও সুঠাম
চেহারা! মাথায় কুচকুচে কাল চুল, যেন
তাহার কোন রোগই ছিল না। ফেরেশতা
তার নিকট একটি গাভী চাইলেন। কিন্তু
সেও উটওয়ালার ন্যায়ই “না“ সূচক শব্দে
জবাব দিল। ফেরেশতাও তাকে বদদোয়া
দিয়া বললেন, যদি তুমি মিথ্যুক হও, তবে
আল্লাহ্ তায়ালা যেন তোমার সেই
পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে দেন। ফেরেশতার
দোয়া ব্যর্থ হবার নয়। তার মাথার টাক
পড়া শুরু হইল, সমস্ত ধন-সম্পদ ধ্বংশ হল।
তারপর ফেরেশতা পূর্বাকৃতিতে সেই অন্ধ
ব্যক্তির নিকট গমন করে বললেন, বাবা
আমি মুসাফির! বড়ই বিপদগ্রস্ত হয়ে
পড়েছি। আমার টাকা-পয়সা কিছুই নাই।
আপনি সহানূভূতি ও সাহায্য না করলে
আমার কোন উপায় দেখিতেছি না। যে
আল্লাহ্ তায়ালা আপনাকে বিরাট
সম্পত্তির মালিক করেছেন, তার নামে
আমাকে একটি বকরী দান করুন-যেন কোন
প্রকার অভাব পূরণ করে বাড়ি যেতে
পারি। লোকটি বলল, নিশ্বয়ই। আমি অন্ধ,
দরিদ্র ও নিঃস্ব ছিলাম। আমি আমার
অতীতের কথা মোটেই ভুলি নাই। আল্লাহ্
তায়ালা শুধু নিজ রহমতে আমার
দৃষ্টিশক্তি ফিরাইয়া দিয়েছেন। এই সব
ধন-সম্পদ যা কিছু দেখতেছেন সবই আল্লাহ্
তায়ালার, আমার কিছুই নয়। তিনিই অনুগ্রহ
করে আমাকে দান করেছেন। আপনার যে
কয়টির প্রয়োজন আপনার ইচ্ছামত আপনি
নিয়ে যান। যদি ইচ্ছা হয় আমার পরিবার
পরিজন ও সন্তান-সন্তুতির জন্য কিছু
রাখিয়াতেও পারেন। আল্লাহর কছম,
আপনি সবগুলি লইয়া গেলেও আমি
বিন্দুমাত্র অস্তুষ্ট হইব না। কারণ, এসব
আল্লাহর দান।
ফেরেশতা বললেন, এসব তোমার থাকুক।
আমার কিছুর প্রয়োজন নাই, তোমাদের
তিন জনের পরীক্ষা করার উদ্দেশ্য ছিল;
তা হয়ে গিয়েছে, তারা দুইজন পরীক্ষায়
ফেল করেছে। তাদের প্রতি আল্লাহ্
তায়ালা অসন্তুষ্ট ও নারায হয়েছেন। তুমি
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছ। আল্লাহ্ তোমার
প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন।
উপদেশ : হে মানুষ! চিন্তা কর! প্রথমোক্ত
দুইজন আল্লাহর নেয়ামতের শোকর করে
নাই বলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ই তাদের
বিনষ্ট হয়েছে। তাদের অবস্থা কতই না
শোচনীয় হয়েছে! কারণ, আল্লাহ্ তাদের
উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তৃতীয় ব্যীক্ত
আল্লাহর শোকর করিয়াছে বলিয়া দুনিয়া
ও আখেরাত সবই বহাল রয়েছে, ধন-সম্পদ
কিছুই নষ্ট হয় নাই।
আল্লাহ্ তায়ালা ‘দিয়া ধন বুঝে মন,
কেড়ে নিতে কতক্ষণ।‘ সাধারণত: মানুষ বড়
হলে অতীতের কথা ভুলে যায়। এ ধরণের
লোককে প্রকৃত মানুষ বলা যায় না। প্রকৃত
মানুষ তারা-যারা অতীতের দুঃখ-কষ্টের
কথা স্মরণ করে আল্লাহর শোকর গোযারী
করে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি

জলাঞ্জলি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
হে পিতৃহীন ও মাতাহীন / কোন একজনকে
হারিয়ে শোকের সাগরে ভাসমান জীবন
পথে যুদ্ধরত সিপাহী তোমাকেই বলছি ।
জীবন পথে আবেগ নয় বাস্তবতার নিরিখে
চলা প্রয়োজন। জলাঞ্জলি শব্দটা ব্যবহার
হয় অপচয় , অপব্যয় ও সম্পুর্ণ বরবাদ অর্থে ।
এশব্দের বাহিরের অর্থ ও প্রয়োগ বেশ
সুন্দর ও ভালো , কিন্তু ভিতরের রুপটা
কোন মুসলমানের নিকট গ্রহণযোগ্য হতে
পারে না ।
এ শব্দের ভাবগত সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যা
আপত্তিকর ।
জলাঞ্জলি হচ্ছে হিন্দুদের ধর্মীয়
অনুষ্টান । শব্দটি সংস্কৃত ভাষার বৈদিক
সংস্কৃতির একটি শব্দ। এর সন্ধি বিচ্ছেদ
করলে :জল +অঞ্জলি =জলাঞ্জলি অর্থ
আজলা পূর্ণ পানি।হিন্দুরা শবদাহের পর
প্রতাত্মার উদ্দেশ্যে আজলা পূর্ণ পানি
ছিটিয়ে দেয়।এই ধর্মীয় অনুষ্টানের নাম
'জলাঞ্জলি'বা বিসর্জন । হিন্দু ধর্মে
জলাঞ্জলির মত আর ও অনুষ্টান আছে।
যেমন ঘৃতাঞ্জলি (ঘৃত+অঞ্জলি),পু
ষ্পাঞ্জলি ,তিলাঞ্জলি ,কৃতাঞ্জলি,ও
শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রভৃতি অনুষ্টান । এসব
পারিভাষিক শব্দ হিন্দুদের পূজা মন্দির ও
দেবদেবীর পূজার ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয় ।
পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ,অনেক মুসলমান
এসব শব্দের ব্যবহারে ঈমান আকিদা গত
কোন বাধা আছে বলে মনে করে না ।
মৃতজনের লাশের পাশে বা কবরে বা
অথবা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য
পুষ্পস্তবকের উপর কাগজে বা ব্যানারে
লেখে দেওয়া হয় শ্রদ্ধাঞ্জলি এর নিছে
ব্যানার বা পুষ্প অর্পনকারী ব্যক্তি
,সংগঠন বা সংস্থার নাম দেওয়া হয় । এই
রেওয়াজ ইসলাম সমর্তন করে না ।কারণ এর
দ্বার অন্য ধর্মের অনুসরণ ও অনুকরণ হয়।
এছাড়া অপব্যয় হওয়ার কারণে ও তা
নিষিদ্ধ।
কোরআন মাজিদে অপব্যয়ের ক্ষেত্রে
দুটি শব্দ ব্যবহার হয়েছে
1- ﺍِﺳْﺮﺍﻑ
-2 ﺗَﺒْﺰِﻳْﺮ
ইসরাফ বলা যেথায় একশত টাকা খরছ করা
প্রয়োজন সেখানে একশত টাকার চেয়ে
অধিক খরছ করা ,আর তাবযীর হল যেখানে
একশত টাকা ব্যয় করার দরকার নয়
সেখানে একশত টাকা ব্যয় করা ।আল্লাহ
পাক উভয়টা নিষেধ করেছেন।দেখা
যাচ্ছে তাবযীর ইসরাফের চেয়ে ও বড়
ধরণের গোনাহ।
কারণ মুসলিম হিসাবে আমাদের বিশ্বাস
মানুষ তার কর্ম অনুযায়ী জান্নাত বা
জাহান্নামে যাবে ।লোকটি যদি
জান্নাতি হয় ফুল দিয়ে তার সাথে মস্করা
করা ছাড়া আর কিছু নয় ,কারণ দুনিয়াবী
ফুলের চেয়ে অসংখ্য অগণিত সুঘ্রাণযুক্ত
ফুলের সুঘ্রাণ তারা নিচ্ছেন ।কোটি
টাকার লোককে যদি একশত টাকার একটি
জামা কিনে দেওয়া হলে যেমন এটা
তামাশা হয় এমনিভাবে জান্নাতি
লোকের উদ্দেশ্যে এ ধরণের কাজ
তাদেরকে ছোটকরণ ও তুচ্ছ তাচ্ছিলেরই
নামান্তর ।আর যদি লোকটি জাহান্নামী
হয় তাহলে এ ফুল দেওয়া বা ব্যানার
চাপানো সামান্যতম আযাব কম হবে না
বরং শাস্তি আরও বেড়ে যাবে ।
পুষ্পাঞ্জলি বা ব্যানার দ্বারা শুধু ফুল
বিক্রেতা , ফুলের বাগানের মালিকও
মুদ্রণকারীদের আর্থিক লাভ হয়। তাছাড়া
মৃত্যুবার্ষিকি বা জম্ম বার্ষিকি পালন
করা ইসলাম সমর্থন করে না ।তাই বলি
আবেগ নয় ইসলামের আলোকে আপনার
প্রিয় জনের নিকট সওয়াব পৌছানোর
ব্যবস্থা করুন ।
মৃত জনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও মায়া
মমতা প্রদর্শনের সর্বোত্তম ব্যবস্থা
ইসলাম
ধর্মে আছে।সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করলে মৃত
জনের ও মঙ্গল হয় ।এমনিভাবে সমাজ
থেকে চলমান বেদআত মূলোৎপাটনে
অনেকটা সহায়ক হবে ।আর এ উদ্যোগ গ্রহণ
করার কারণে আপনি অতিরিক্ত সওয়াবের
অধিকারী হবেন । দোয়া করি
আল্লাহপাক যেন সব মুসলিমকে বিধর্মী
কালচার ছাড়ার ও নিজ সংস্কৃতি ধরার
তওফিক দান করেন।
ﺁﻣﻴﻦ

খলিফা উমর ফারুক (র.)

"আমাদের দেশে সেই লোক হবে কবে
কথায় না ভাল হয়ে কাজে ভাল হবে''
#উমর ফারুক #রাযিয়াল্লাহু #আনহু
তার পিতার নাম খাত্তাব ও মায়ের নাম
হানতামাহ।
তিনি মক্কা নগরীতে 582/83 খৃষ্টাব্দে
জম্ম গ্রহণ করেন ।তিনি মক্কা নগরীর
একজন উচ্চ শিক্ষিত,সুবক্তা,কবি ,সাহসী
যুদ্ধা,ও কুস্তিগীর ছিলেন।
ইসলাম গ্রহণের পূর্বে ইসলামের ঘুরতর
দুশমন ছিলেন।
নিজ বোন ফাতিমার তিলাওয়াত শুনে
রাসুলুল্লাহ (দঃ)এর কাছে গিয়ে ইসলাম
গ্রহণ করেন।
তার উদ্যোগেই ইসলামের দাওয়াত
প্রকাশ্যে শুরু হয় ।সর্ব প্রথম কাবা ঘরে
জামাতের সাথে নামাজ আদায় করা হয় ও
তার প্রস্তাবেই আযানের ব্যবস্থা চালু
হয়। রাসূল দ. এর সাথে সব যুদ্ধেই অংশ
গ্রহণ করেন।
উমর যেমন ছিল কঠোর তেমনি ছিলেন
কোমল।তিনি খলিফা হওয়ার পর লোকজন
ঘর থেকে ভয়ে বের হতো না,এ খবর শুনার
পর তিনি ঘোষণা দিলেন রাসূল দ. ও আবু
বকর নম্র নীতি বলতেন তাই আমি কঠোরটা
বলতাম যাতে কঠোর ও নিম্ন নীতি মিলে
মধ্যম পন্থার নীতি হয়,আজ যেহেতু উনারা
নেই
তাই আমি আজ থেকে কোমল উমর ।
দেশের মানুষের অবস্থা জানার জন্য
পোষাক পরিচ্ছেদ পরিবর্তন করে একাকি
ঘুরে বেড়াতেন।একবার শুনলেন এক বাচ্ছা
কাদছে অথচ তার মা বাচ্ছাকে দুধ পান
করাচ্ছে ,অপর একজন বাচ্ছার মাকে
জিজ্ঞেস করলো বাচ্ছাকে কেন দুধ পান
করাচ্ছো না ?
সে মহিলা জবাব দিল খলিফা উমর
দুগ্ধপৌষ্য শিশুর কোন ভাতা দেন না ,তাই
এমন করছি যাতে বাচ্ছা দুধ ছাড়ার
অভ্যস্থ হয়ে যায়।খলিফা উমর ইহা শুনে
কেদে কেদে মদিনায় ফিরে আসলেন আর
বলতে লাগলেন না জানি কত শিশু এ
ভাবে কষ্ট করছে ?পরদিন ঘোষণা দিলেন
প্রত্যাকের জন্য ভাতা দেওয়া হবে চাই
সে দুধ ছাড়ুক বা না ছাড়ুক , ছোট হউক বা
বড়।
তিনি মুমিনদের প্রতি রহমশীল
,কাফেরদের বেলায় কঠোর।
হযরত উমর রা. সর্ব প্রথম পুলিশ ওসামরিক
বাহিনী গঠন ,আদম শুমারী,রাজস্ব ব্যবস্থা
কায়েম, অসহায় ও অক্ষমদের ভাতা প্রদান
,জিযিয়া ও খেরাজ ব্যবস্থা
প্রবর্তন,হিজরী সন গণনা,কৃষিক্ষেত্রে
সেচ ব্যবস্থা চালু করেন। শাষন বিচার
ব্যবস্থা নিরপেক্ষও নিখুত ছিল ।
আইনের চোখে উচু-নিচু,ধনী-গরীব,আপন-পর
কোন ভেদাভেদ ছিল না।নিজ ছেলে আবু
শাহমাকে কঠোর শাস্তি দিতে কুন্ঠাবোধ
করেননি।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজে সাহাবিদের
সাথে পরামর্শ করতেন।
সাম্যের বিরল প্রতিক ছিলেন। একবার
সিরিয়া সফরকালে নিজের গোলামের
সাথে যে সাম্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন
করেছেন তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
প্রায় অর্ধ পৃথিবীর ক্ষমতাধর হওয়া
সত্বেও তার মাঝে ছিল না সামান্তম
অহংকার।সাদা-সিধা জীবন যাপন
করতেন।গাছের ছায়ায় মাটির বিছানায়
কেটেছে তার জীবন।
তিনি 10বছর 2 মাস শাষনকার্য পরিচালনা
করেন।তিনি 645খৃষ্টাব্দে শাহাদত বরণ
করেন । ﺍﻧﺎ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻧﺎ ﺍﻟﻴﻪ ﺭﺍﺟﻌﻮﻥ
ইন্তিকালের সময় তার বয়স হয়েছিল 63
বছর ।
প্রায় আলেমরা সালাফে
সালেহীনদেরকে নিয়ে গর্ব করে বলেন
বা ব্যানারে লেখা থাকে
ﺍﻟﻯٔﻚ ﺍﺑﺎﻯٔﻲ ﻓﺠﺌﻨﻲ ﺑﻤﺜﻠﻬﻢ ....
তাই আমাদের পূর্বসূরী ও জান্নাতের
সুসংবাদ প্রাপ্ত একজন সাহাবীর
জীবনের কিছু অংশ লেখলাম ,কারণ দাবী
আর আমাদের আমলে রাত দিন তফাৎ
আছে। শুধু দাবী এবং কথায় ভাল হইলেই হয়
না বাস্তবে কাজে ভাল থাকতে হয়।

রোহিঙ্গা নির্যাতনে কী মানবতা লঙ্ঘন হয় না?

এশিয়ার একটি দেশ মিয়ানমারে
হাজার হাজার মুসলমান নিহত হচ্ছে এবং
তাদের হত্যা করা হচ্ছে অজ্ঞতা ও
বিদ্বেষের কারণে। এ ঘটনায় কোনো
কোনো শক্তির রাজনৈতিক হাত থাকার
কথা না উল্লেখ করেও যদি ধরে নিই যে,
যেমনটি দাবি করা হচ্ছে, ধর্মীয় ও
সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের কারণেই এই
গণহত্যা ঘটছে, তা সত্ত্বেও
মানবাধিকারের ভুয়া সমর্থকরা মুখ
খুলছেন না। অথচ এদেরই অন্তর নাকি জীব-
জন্তু ও পশুর জন্য কাঁদে! অন্যদিকে যেসব
দেশ তাদের অধীনতা থেকে মুক্ত বা
স্বাধীনচেতা এবং তাদের ধামাধরা নয়,
সেসব দেশে ক্ষুদ্রতম অজুহাতও দেখতে
পেলে তারা তা শতগুণ বড় করে তুলে ধরে।
অথচ মিয়ানমারে নিরপরাধ, নিরস্ত্র এবং
অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশুদের হত্যার
ব্যাপারে তারা নিশ্চুপ হয়ে আছে।
পশ্চিমা শক্তিগুলো অবশ্য এ ব্যাপারে
সাফাইও গাইছে! এই হলো তাদের
মানবাধিকারের অবস্থা! তাদের
মানবাধিকার নৈতিকতা, খোদা ও
আধ্যাত্মিকতাবিহীন। পশ্চিমাদের
নৈতিকতা এবং মানবাধিকারের দাবি
যে মিথ্যা বড়াই ছাড়া আর কিছুই নয়, তা
স্পষ্ট হয়ে গেছে মিয়ানমারের হাজার
হাজার মুসলমানকে হত্যার বিষয়ে তাদের
নীরবতার মধ্য দিয়ে।
ওরা বলছে,
রোহিঙ্গা মুসলমানরা নাকি
মিয়ানমারের নাগরিক নয়। ধরে নিলাম
তা ঠিক, তাই বলে কি তাদেরকে অবশ্যই
নিহত হতে হবে? অবশ্য, তাদের এ দাবি
মিথ্যা কারণ, শত শত বছর ধরে তারা
সেখানে বসবাস করে আসছে। এ ব্যাপারে
আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। পশ্চিমারা
বিশেষ করে ইংরেজরা তাদের
ঔপনিবেশিক শাসনামলে মিয়ানমারে
এবং তার আশেপাশের দেশগুলোর
জনগণের ওপর ঠিক এমন অবস্থায়ই চাপিয়ে
দিয়েছিল। তারা সেখানকার জনগণের
প্রাণ ওষ্ঠাগত করে তুলেছিল। ইংরেজরা
যেখানেই পা রেখেছে সেখানেই দুর্নীতি
বা আরাজকতার রাজত্ব কায়েম করেছে
এবং বংশ নিধনযজ্ঞ চালিয়েছে। কুরআন
যেমনটি বলে-এসব কাজ ছাড়া অন্য কিছু
তারা করেনি।

মায়ানমার ও বাংলাদেশের কিছু তথ্য

মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু
তথ্য।
বাংলাদেশের অফিসিয়াল নাম :
people's republic of Bangladesh
মায়ানমারের অফিসিয়াল নাম republic of
the Union of myanmar ,
(মায়ানমারের) অবস্থান: দক্ষিণ পূর্ব
এশিয়া।
আর বাংলাদেশের অবস্থান: দক্ষিণ
এশিয়া
মায়ানমারের মুদ্রা:ক্যত (MMK)
বাংলাদেশের মুদ্রা: ৳ (BDT)
মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় ভাষা: বার্মিজ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় ভাষা:
বাংলা
মিয়ানমারের জন সংখ্যা:
60,077,689
(২৬১,৯৭০ বর্গমাইল)
(জুলাই
2015 )
বাংলাদেশের জনসংখ্যা:১৬৩,১৮৭,০০০
[2017,অনুমানিক]
মিয়ানমারের মোট আয়তন : ৬৭৮,৫০০
বর্গকিলোমিটার
(২৬১,৯৭০ বর্গমাইল) এলাকাজুড়ে
বিস্তৃত।
বাংলাদেশের আয়তন সমুদ্র সীমা সহ :
২,৪৬,০৩৭ বর্গ কিমি.
মিয়ানমারের ফোন কোড: +৯৫
বাংলাদেশের ফোন কোড: ০৮৮
চতুঃসীমা:
বাংলাদেশের চতুঃসীমা:
বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর,
আর পূর্ব সীমান্ত জুড়ে রয়েছে ভারত ।
পশ্চিমে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্য , উত্তরে মেঘালয় ও আসাম
রাজ্য এবং পূর্বে রয়েছে
আসাম, ত্রিপুরা , মিজোরাম ও মিয়ানমার
(বার্মা)
মায়ানমারের পশ্চিমে বাংলাদেশের
চট্টগ্রাম বিভাগ এবং ভারতের
মিজোরাম , উত্তর-পশ্চিমে ভারতের
আসাম , নাগাল্যান্ড ও মণিপুর অবস্থিত।
মায়ানমারের সীমানার উত্তর-পূর্বাংশের
২,১৮৫ কিলোমিটার জুড়ে আছে তিব্বত
এবং চীনের ইউনান প্রদেশ । দক্ষিণ-পূর্বে
রয়েছে লাওস ও থাইল্যান্ড । দক্ষিণ-
পশ্চিম এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও
আন্দামান সাগরের সাথে মায়ানমারের
১,৯৩০ কিলোমিটার উপকূল রেখা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২ মে, ২০১৭

মানবতা নষ্টকারী কয়েকটি দোষ


আল্লাহ পাক  মানব জাতিকে নানান গুনের অধিকারী হিসাবে তৈরী করেছন ।সৃষ্টিগতভাবে যে স্বভাব গুলা মানুষের মাঝে বিদ্যমান সেই স্বভাবের থেকে কতেক ভাল কতেক  মন্দ অর্থাৎ ভাল মন্দ উপযোগী করে মানব সৃষ্টি করা হয়েছে যেমন ইরশাদ ফরমান فألهمها فجورها وتقواها আল্লাহ পাক মানবের অন্তরে ভাল মন্দ ঢেলে দিয়েছেন ।মানব যখন ত্রুটিযুক্ত স্বভাব থেকে উৎকর্ষ সাধন করবে ও আত্মশুদ্ধি  শক্তিতে শক্তিমান হবে ,দুনিয়া মোহ ও ফেৎনা ফাসাদ থেকে বেচে থাকবে তাকেই  কোরআনের ভাষায় মানুষ বলে।নচেৎ তাকে মানুষ জ্ঞান করা যায় না যেমন আল্লাহ পাক বলেন اولائك كالانعام بل هم اضل  যারা স্বভাব উৎকর্ষ সাধন করতে পারেনি
তারা চতুষ্পদ জানওয়ারের মত বরং এর চেয়েও নিকৃষ্ট।তাই বুঝা যাচ্ছে গুণমত ব্যক্তিই মানুষ বলার উপযুক্ত।কথায় আছে وبضدها تتبين الأشياء  বিপরিত বস্তু দ্বারা জিনিষ সমূহ বুঝতে সহজ হয়।তাই আমার অনুসন্ধানে যে আয়াত গুলির মধ্যে মানুষের দোষের আলোচনা পেয়েছি সেগুলা লিপিবদ্ধ করেছি যাতে এ দোষ ত্রুটি থেকে বেচে থাকা যায়।নিম্নে সে আয়াতগুলি লিপিবদ্ধ করা হল।
١-إنا اﻹنسان لكفور {الحج} 
٢-إنا اﻹنسان لظلوم كفار
٣-إنه كان ظلوما جهولا{اﻷحزاب}
٤-وكان الشيطان للإنسان خذولا{المؤمنون}
٥-كان اﻹنسان أكثر شيئ جدلا
٦-أولم ير اﻹنسان أنا خلقناه من نطفة فأذا هو خصيم مبين{يس}
٧-إذا مس اﻹنسان ضر دعا ربه منيبا إليه{الزمر}
٨-ﻻ يسئم اﻹنسان من دعاء الخير{الإسراء}
٩-وإذا أنعمنا على اﻹنسان أعرض نأ بجانبه{فصلت}
١٠-إن أذقنا منا رحمة فرح بها{الشورى}
١١-أم للإنسان ما تمنى{النجم}
١٢-وإن ليس للإنسان إﻻ ما سعى{النجم}
١٣-إن اﻹنسان خلق هلوعا{المعارج}
١٤-بل يريد اﻹنسان ليفجر أمامه{القيامة}
١٥-كلا إن اﻹنسان ليطغى{علق}
١٦-إن اﻹنسان لربه لكنود{والعاديات}
١٧-خلق اﻹنسان ضعيفا{النساء}
١٨-وكان اﻹنسان عجوﻻ
١٩-خلق اﻹنسان من عجل
٢٠-وكان اﻹنسان قتورا
إنه ليؤس كفور {هود}
انه لفرح فخور{هود}
لقد خلقنااﻹنسان في كبد{البلد}
لقد خلقنا اﻹنسان في أحسن تقويم{التين}

আল্লাহ পাক বলেন সৃষ্টি গত ভাবে মানুষ অস্বীকার,অত্যচার,অজ্ঞতা,প্রলোভনে প্রভাবিত হওয়া,বাক-বিতন্ডতা অর্থাৎ ঝগরাটে প্রিয়,মছিবতের সময় বিনয়ী,সর্বদা নিজ মঙ্গল কামণা ,সুবিধার সময় বিমুখতা ও আনন্দিত হওয়া,আশা ,চেষ্টার ফলাফল অবশ্যই পাওয়া,অস্তির,সীমালঙ্গনকারী,সবার সামনে পাপাচারী করার বাসনা,অকৃতজ্ঞ,দুর্বল,তাড়াহুড়া প্রিয়,কৃপন,নৈরাশ,অহংকারী,সহনশীল হিসাবে সৃষ্টি করেছেন।এছাড়া ও তাকে সুন্দর ,সুসম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন।